<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>SHAPTAHIK KAGOJ</title>
	<atom:link href="http://shaptahikkagoj.com/?feed=rss2" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://shaptahikkagoj.com</link>
	<description>দেশ দুনিয়া এক মলাটে</description>
	<lastBuildDate>Sun, 13 May 2012 16:25:32 +0000</lastBuildDate>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
	<generator>http://wordpress.org/?v=3.3.2</generator>
		<item>
		<title>রাজশাহী রেশম ও শিক্ষার নগরী</title>
		<link>http://shaptahikkagoj.com/?p=779</link>
		<comments>http://shaptahikkagoj.com/?p=779#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 13 May 2012 16:18:13 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
				<category><![CDATA[দুই পা ফেলিয়া]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://shaptahikkagoj.com/?p=779</guid>
		<description><![CDATA[এ কে আজাদ : বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত রাজশাহী এক ইতিহাসখ্যাত নগরী। প্রাচীন পুন্ড্রবর্ধন জনপদের অংশ রাজশাহীর জনবসতি হাজার বছরের ঐতিহ্য বহন করছে। মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন, মোগল, ইংরেজরা এ অঞ্চলে শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। এ অঞ্চলে রাজরাজড়াদের আবাসস্থলকে কেন্দ্র করে নাম &#8230; <a href="http://shaptahikkagoj.com/?p=779">Continue reading <span class="meta-nav">&#8594;</span></a>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><a href="http://shaptahikkagoj.com/wp-content/uploads/2012/05/borokuthi.jpg"><img class="alignleft  wp-image-780" title="borokuthi" src="http://shaptahikkagoj.com/wp-content/uploads/2012/05/borokuthi.jpg" alt="" width="320" height="200" /></a>এ কে আজাদ :</p>
<p>বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত রাজশাহী এক ইতিহাসখ্যাত নগরী। প্রাচীন পুন্ড্রবর্ধন জনপদের অংশ রাজশাহীর জনবসতি হাজার বছরের ঐতিহ্য বহন করছে। মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন, মোগল, ইংরেজরা এ অঞ্চলে শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। এ অঞ্চলে রাজরাজড়াদের আবাসস্থলকে কেন্দ্র করে নাম হয়েছে রাজশাহী। পঞ্চদশ শতকে ভাতুরিয়া দিনাজপুরের জমিদার রাজা কংস বা গণেশ এ অঞ্চলের অধিপতি ছিলেন। তিনি রাজা শাহ নামে পরিচিতি ছিলেন। মনে করা হয় ‘রাজা’ আর ‘শাহ’ মিলে রাজশাহী নামকরণ হয়েছে।</p>
<p>রাজশাহী শিক্ষানগরী হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছে। এখানে দেশের প্রায় সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। যেমনÑবিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, ক্যাডেট কলেজ, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ঐতিহ্যবাহী রাজশাহী কলেজ, টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, শারীরিক শিক্ষা কলেজ, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, সার্ভে ইনস্টিটিউট, পিটিআই, নার্সিং ইনস্টিটিউট, ভোকেশনাল টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট, পুলিশ একাডেমি, পোস্টাল একাডেমি, রেশম গবেষণা কেন্দ্র, আঞ্চলিক লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, হোমিওপ্যাথি কলেজ, ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি। জেলায় ৩৬৭টি মাদ্রাসা, ১১০টি কলেজ, ৩৯৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ৯৮৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। দেশের একমাত্র পুলিশ একাডেমি ও পোস্টাল একাডেমি এ জেলায় অবস্থিত।</p>
<p>শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি বিকাশে রাজশাহী উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে। ভাওয়াইয়া, গম্ভীরা এ অঞ্চলের সংস্কৃতির বিশেষ দিক। জেলা শিল্পকলা একাডেমী, বাংলাদেশ শিশু একাডেমী প্রভৃতি প্রতিষ্ঠানগুলো শিল্পীদের প্রতিভা বিকাশে অবদান রাখছে। উপজাতীয় কালচারাল একাডেমি রাজশাহীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান।</p>
<p>বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি</p>
<p>দেশের একমাত্র পুলিশ একাডেমি চারঘাট উপজেলা সদর দপ্তর থেকে এক মাইল দূরে পদ্মার পাড়ে এক মনোমুগ্ধকর পরিবেশে অবস্থিত। তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতে মেজর এইচ. চ্যামেই নামে একজন সামরিক অফিসার এই একাডেমির প্রথম অধ্যক্ষ ছিলেন। তিনি একাডেমীর স্থান অনুসন্ধানের জন্য পদ্মা নদী দিয়ে স্টিমারে যাওয়ার সময় চারঘাটে স্টিমার থামান। এখানকার পারিপার্শ্বিক মনোরম পরিবেশে, বিশেষ করে বিশাল আমবাগান, সু-উচ্চ বড় বড় কড়ইগাছ ও প্রমত্তা পদ্মার বিশালতা দেখে তিনি মুগ্ধ হন। এরপর ফিরে গিয়েই তিনি এখানে পুলিশ একাডেমির স্থান নির্ধারণের জন্য ব্রিটিশ সরকারের কাছে প্রস্তাব পেশ করেন। ব্রিটিশ সরকার তার সুপারিশ গ্রহণ করেন এবং ১৯১২ সালের জুলাই মাসে সারদায় পুলিশ একাডেমি উদ্বোধন করা হয়। বর্তমানে এই পুলিশ একাডেমি দেশের পুলিশ প্রশাসনকে গতিশীল ও সচল রাখার জন্য সমসাময়িক ধ্যান-ধারণায় বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকেন।</p>
<p>রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ</p>
<p>১৯৬৬  সালের ১১ ফেব্র“য়ারি এই ক্যাডেট কলেজের শুরু। তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খান কলেজটির উদ্বোধন করেন। তার নামানুসারে এটির নামকরণ করা হয় আইয়ুব ক্যাডেট কলেজ। তখন এটি ছিল তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের দ্বিতীয় ক্যাডেট কলেজ। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর কলেজটির নামকরণ করা হয় রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ। ১১০ একর জমির ওপর পদ্মার পার ঘেঁষে এক অপরূপ পরিবেশে এই কলেজটির অবস্থান। জীবনে প্রতিষ্ঠিত ও উচ্চশিক্ষা গ্রহণের আদর্শ কারিগর হিসেবে গড়ে তোলার শিক্ষা গ্রহণের পীঠস্থান হিসেবে পরিচিত এই ক্যাডেট কলেজ। কলেজ পরিচালনার জন্য একজন অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, অ্যাডজুটেন্ট, মেডিকেল অফিসার, একজন হিসাবরক্ষণ অফিসারসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক রয়েছেন।</p>
<p><a href="http://shaptahikkagoj.com/wp-content/uploads/2012/05/puthia-rajbari.jpg"><img class="alignleft  wp-image-781" title="puthia-rajbari" src="http://shaptahikkagoj.com/wp-content/uploads/2012/05/puthia-rajbari.jpg" alt="" width="324" height="216" /></a>পুঠিয়া-রাজবাড়ী</p>
<p>পুঠিয়া বাজারে দক্ষিণ পাশে দ্বিতলবিশিষ্ট আয়তাকার পরিকল্পনায় নির্মিত পুঠিয়া-রাজবাড়িটি একটি আকর্ষণীয় ইমারত। বহুকক্ষবিশিষ্ট রাজবাড়ীর প্রধান প্রবেশপথ সিংহ দরজা উত্তর দিকে অবস্থিত। জমিদার বা রাজারা এখান থেকে তাদের রাজকর্ম পরিচালনা করতেন। এ রাজবাড়ীতে দোষী ব্যক্তিদের শাসিত দানের ব্যবস্থাসহ বন্দিশালার ব্যবস্থা ছিল। চুন-সুরকি ও ছোট আকৃতির ইট দ্বারা নির্মিত বাজবাড়ীর সম্মুখভাগে আকর্ষণীয় ইন্দো-ইউরোপীয় স্থাপত্যরীতির প্রভাব লক্ষ করা যায়। রাজবাড়ির নিরাপত্তার জন্য চারপাশে জলাশয়ের ব্যবস্থা ছিল। স্থানীয় জমিদার পরিবারের সদস্যদের দ্বারা ঊনবিংশ শতাব্দীতে এটি নির্মিত হয়েছিল।</p>
<p>পুঠিয়া দোল মন্দির</p>
<p>পুঠিয়া-রাজবাড়ীর সম্মুখস্থল মাঠের উভয় পাশে বর্গাকার পরিকল্পনায় নির্মিত চারতলাবিশিষ্ট মন্দিরে প্রত্যেক বাহুর পরিমাপ ২১.৫৪ মিটার। ইট চুন ও সুরকির তৈরি দোল মঞ্চ মন্দিরটি ক্রমশ ছোট থাকে থাকে ওপরে উঠে গেছে। চতুর্থ তলের ওপরে আছে মন্দিরের গম্বুজ আকৃতির চূড়া। চূড়ার শীর্ষদেশে ফিনিয়েল দ্বারা  শোভিত।</p>
<p>প্রত্যেক তলের চারদিকে প্রশস্ত টানা বারান্দা আছে। নিচতলায় প্রত্যেক বাহুতে সাতটি করে দ্বিতলের পাঁচটি, ত্রিতলের তিনটি এবং চতুর্থ তলের প্রত্যেক বাহুতে একটি করে প্রবেশপথ আছে। পার্শ্ববর্তী সমতল ভূমি থেকে এ মন্দিরের উচ্চতা ২০ মিটার। মন্দিরটি ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ দশকে পুঠিয়ার পাঁচআনী জমিদার  বাড়ির হেমন্ত কুমারী দেবী কর্তৃক নির্মিত।</p>
<p>বাঘা মসজিদ</p>
<p>রাজশাহী জেলার বাঘা উপজেলায় উঁচু ভিটার ওপর অলংকৃত ইটের দেয়ালে গাঁথা ঐতিহাসিক বাঘা মসজিদ অবস্থিত। দর্শনার্থীদের কাছে বাঘা মসজিদের প্রধান আকর্ষণ এর অসাধারণ নান্দনিক কারুকার্য খচিত দেয়ালের ইট। ঐতিহ্যবাহী আমকে ব্যবহার করা হয়েছে মসজিদের দেয়ালগাত্র অলংকরণের কাজে। সুলতান নসরত শাহ ১৫২৩ খ্রিস্টাব্দে এ মসজিদ নির্মাণ করেন। ১০ গম্বুজবিশিষ্ট এ মসজিদের ছবি রয়েছে ৫০ টাকা নোটের এক পিঠে।</p>
<p>রাজশাহী বড়কুঠি</p>
<p>রাজশাহী মহানগরীর সবচেয়ে প্রাচীন দালান পদ্মা পাড়ের বড় কুঠি। এই কুঠিকে কেন্দ্র করে ওই এলাকার নামকরণ হয়েছে বড়কুঠি। ব্রিটিশ শাসনামলের পূর্ব থেকেই ব্যবসা-বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় ইউরোপীয়রা এ ধরনের কুঠি তৈরি করেছিল। রাজশাহী মহানগরীর বড় কুঠি তৈরি করেছিল ওলন্দাজরা বা ডাচরা। কুঠিটি নির্মাণের তারিখ জানা যায় না। তবে অষ্টম শতকের প্রথম ভাগে বড় কুঠি ওলন্দাজাদের এই অঞ্চলের বাণিজ্যের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহƒত হতো। ১৭৫৭ সালে ইংরেজরা বাংলার ক্ষমতা দখল করলে ওলন্দাজরা মিরজাফরের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে ইংরেজদের ক্ষমতা খর্ব করতে চাইলে ইংরেজদের হাতে তাদের পরাজয় ঘটে। এর পরও তারা রাজশাহী অঞ্চলে কিছুদিন রেশম ব্যবসা করে ছিল। রাজশাহীতে ওলন্দাজদের বড় কুঠি ক্রয় করে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি। কোম্পানির একজন প্রতিনিধি বসবাস করতে আরম্ভ করেন বড় কুঠিতে। ১৮৩৩ সালে ওলন্দাজরা পরিত্যাগ করলে বড় কুঠি ইংরেজদের মালিকানায় চলে আসে। ১৮৩৫ সালে বড় কুঠি মেসার্স রবার্ট ওয়াটসন কোম্পানির হাতে যায়। রবার্ট ওয়াটসন কোম্পানি রাজশাহী ও সরদহের কুঠিবাড়ি কিনে নেয়। রেশম ও নীল ব্যবসাকে নির্ভর করে রাজশাহী হয়ে ওঠে একটা সমৃদ্ধ নদীবন্দর। এখান থেকে প্রচুর রেশম ও নীল বিদেশে চালান হতে থাকে।</p>
<p>বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর</p>
<p>রাজশাহীর অন্যতম আকর্ষণ বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর। এটি বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর। বরেন্দ্র অঞ্চলের পুরার্কীতি সংগ্রহ ও সংরক্ষণের জন্য ১৯১৬ সালে বরেন্দ্র জাদুঘর নির্মিত হয় এবং দিঘাপাতিয়ার রাজপরিবারের আনুকূল্যে এ জাদুঘর বঙ্গীয় শিল্পকলার সমৃদ্ধ ভান্ডারে পরিণত হয়। বৌদ্ধ, জৈন, শাক্ত,  বৈষ্ণব, সৌর, শৈব, গান মূর্তিসহ নানা দেব-দেবীর মূর্তি রয়েছে এ জাদুঘরে। রয়েছে ধাতব ভাস্কর্য, মৃš§য়মূর্তি, মৃৎভান্ড, শিলালিপি, তাম্রশাসন, হস্তশিল্প, পুঁথি ইত্যাদি। জাদুঘরে প্রতœনিদর্শনের সংখ্যা আট হাজারেরও বেশি।</p>
<p>রাজশাহী কলেজ</p>
<p>১৮৭৩ সালে স্থাপিত রাজশাহী কলেজ ব্রিটিশ আমল থেকেই শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠের মর্যাদা পেয়ে এসেছে। বিখ্যাত এই কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বরেন্দ্র অঞ্চলের জমিদারদের উদ্যোগে। রাজশাহী শহরের ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত এই কলেজের ইতিহাস। ১৯৩৩ সালে ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েরা পড়ার সুযোগ লাভ করে এ কলেজে। দুবলহাটীর রাজা হরলাল রায় বাহাদুরের আর্থিক সহায়তায় রাজশাহী কলেজ ১৮৭৩ সালে স্থাপিত হয়। রাজশাহী কলেজ স্থাপনের অল্প সময়ের মধ্যেই তা পূর্ববঙ্গ, উত্তরবঙ্গ, বিহার, পুর্নিয়া এবং আসামের একমাত্র উচ্চশিক্ষার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। ১৮৭৩ সালে এপ্রিলের ১ তারিখে রাজশাহী জেলা স্কুলে এফএ শ্রেণী চালুর মাধ্যমে এর কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথম ব্যাচে ১ জন মুসলমানসহ মাত্র ৬ জন ছাত্র নিয়ে এর যাত্রা শুরু হলেও ১৯৩০ সালে এর ছাত্রসংখ্যা ১০০০ জনে উন্নীত হয় এবং এর পরবর্তী বছরে ছাত্রী ভর্তির অনুমতি পাওয়া যায়। রাজশাহী জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক হরগোবিন্দ সেন এই কলেজের প্রথম অধ্যক্ষ ছিলেন। রাজশাহী অ্যাসোসিয়েশেন প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি দিঘাপাতিয়ার রাজা প্রমদানাথ রায় বাহাদুর স্নাতক কোর্স চালু করার জন্য এ কলেজে ১,৫০,০০০/- টাকা দান করেন। ১৮৭৭ সালের অক্টোবর মাসে স্নাতক কলেজ হিসেবে স্বীকৃতি পায় এবং ১৮৭৮ সালে স্নাতক কোর্স চালু হয়।</p>
<p>কলেজের প্রথম ভবন (বর্তমান প্রশাসনিক ভবন) নির্মাণ করা হয় ১৮৮৪ সালে। পি.এন. হোস্টেল এ কলেজের প্রথম হোস্টেল, যা রাজশাহী অ্যাসোসিয়েশন দ্বারা ১৮৯৪ সালে স্থাপন করা হয়। ১৯০২ সালে পুঠিয়ার রানী হেমন্ত কুমারী তার নামে একটি হোস্টেল নির্মাণ করেন। বিনা খরচে সংস্কৃত শিক্ষার জন্য ১৯০৪ সালে এ কলেজের অধীন মহারানী হেমন্ত কুমারী সংস্কৃত কলেজ স্থাপন করা হয়।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://shaptahikkagoj.com/?feed=rss2&#038;p=779</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>রাজকীয় নারীদের সৌন্দর্য সাধনা</title>
		<link>http://shaptahikkagoj.com/?p=777</link>
		<comments>http://shaptahikkagoj.com/?p=777#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 13 May 2012 16:14:45 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
				<category><![CDATA[ফিচার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://shaptahikkagoj.com/?p=777</guid>
		<description><![CDATA[শফিকুর রহমান রয়েল : এখনকার মতো ফটোশপে অংশ নেওয়ার সুযোগ তো আর ছিল না। সফট ফোকাসে তোলা হতো ছবি, নয়তো ডাকা হতো চিত্রশিল্পীকে। ক্যানভাস কিংবা ফ্রেমে বাঁধানো স্থিরচিত্র দেখেও আজ তাদের সৌন্দর্য সম্পর্কে বুঝতে কষ্ট হয় না। বলছি কাশ্মীরের মহারানী &#8230; <a href="http://shaptahikkagoj.com/?p=777">Continue reading <span class="meta-nav">&#8594;</span></a>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>শফিকুর রহমান রয়েল :</p>
<p>এখনকার মতো ফটোশপে অংশ নেওয়ার সুযোগ তো আর ছিল না। সফট ফোকাসে তোলা হতো ছবি, নয়তো ডাকা হতো চিত্রশিল্পীকে। ক্যানভাস কিংবা ফ্রেমে বাঁধানো স্থিরচিত্র দেখেও আজ তাদের সৌন্দর্য সম্পর্কে বুঝতে কষ্ট হয় না। বলছি কাশ্মীরের মহারানী তারা দেবী, কোচবিহারের ইন্দিরা দেবী ও তার কন্যা জয়পুরের গায়ত্রী দেবি, কাপুরতলার সীতা দেবীসহ অনেক রাজকীয় নারীর কথা। সবারই সার্বিক সৌন্দর্য ছিল বহুল প্রশংসিত-উজ্জ্বলাক্ষ¥ী, মসৃণ ও কোমল ত্বক, সতেজ চুল এবং মুক্তার মতো ধবধবে সাদা দাঁত। প্রকৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত লাইফস্টাইল তাদের। রাজকীয় প্রসাধনীর উপকরণ সংগৃহীত হতো মৃত্তিকা, ফুল, তেল, নির্যাস, লতাপাতা ও মসলা থেকেÑযেগুলো নিত্যজীবনের অংশ। যা সংগ্রহ করতে খুব একটা কষ্টের প্রয়োজন হতো না। সারান্দা দ্বিবেদি ও সালিনি দেবি হোলকান রাজকীয় সৌন্দর্য নিয়ে প্রকাশ করেছেন অষসড়হফ ঊুবং, খড়ঃঁং ঋববঃ (পটোলচেরা চোখ, পদ্মচরণ) নামক গ্রন্থ। লিখেছেন সৌন্দর্যের জটিল ধারণাবলিতে ঐতিহ্য, বাধ্যবাধকতা, অভ্যাস, স্বাস্থ্য এবং এমনকি সুস্থ বিনোদনের সংমিশ্রণ ছিল। কেয়ারিং ও শেয়ারিংয়ের ব্যাপার ছিল। মনিঠাকুরানী রূপের গোপন রহস্যের বর্ণনা দিতেন কন্যা ও পুত্রবধূর কাছে। সৌন্দর্য রক্ষা অথবা বৃদ্ধির উপকরণ সংগৃহীত হতো বাগান, পূজাঘর, রন্ধনশালা কিংবা স্থানীয় মুদি দোকান থেকে। ত্বক, চুল, হাত ও পায়ে সেগুলো কাজ করত জাদুর মতো। বিয়ে, গর্ভাবস্থা, জন্মদান এবং জন্মদান পরবর্তী সময়ে স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য রক্ষায় পালন করা হতো ভিন্ন আচারপরায়ণতা। রাজঘরানোর সৌন্দর্য চর্চার কিছু বিষয় এখানে তুলে ধরা হলো।</p>
<p>ষোল শৃঙ্গারঃ ষোল শৃঙ্গার জানতে হতো রাজকীয় নারীদের। সৌন্দর্য ও সজ্জার ষোলটি শিল্প শিখতে হতো রাজগৃহে প্রবেশ করা বাইজিদের পর্যন্ত। আত্মসৌন্দর্যায়নের নিয়মাবলিতে অন্তর্ভুক্ত ছিল বিভিন্ন প্রকার মৃত্তিকা ও অনুলেপন মেখে গোসল, নানা তেল মর্দন, হরেক রকমের চুলের বিনুনি এবং সুগন্ধির মাজন। বস্ত্র ও অলংকার পরিধানের পাশাপাশি জাতিভেদ চিহ্নটি শরীরে দেওয়ার বিশেষ কৌশলটিও তাদের রপ্ত করতে হতো। মৌসুম ও উপলক্ষ অনুযায়ী সঠিক পোশাকটি বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রেও পরিচয় দিতে হতো বিশেষ জ্ঞানের। রাজকুমারীরা শিখতেন হাত-পা মেহেদির সাজে সাজাতে এবং বিভিন্ন ফুলের মালা গাঁথতে। রজঃস্রাবের সময় নারীরা বন্দি থাকতেন বিশেষ কক্ষে। সেই কক্ষে তিন দিন কাটানোর পর চতুর্থ দিন গোসল শেষে হাত ধুয়ে বসে যেতেন পূজা অর্চনায়। প্রাসাদের নারীদের কায়িক পরিশ্রম করতে না হলেও গৃহস্থালি পরিচালনার কৌশল ঠিকই শিখতে হতো। পান চিবানো এবং পরিবেশনের ক্ষেত্রেও ছিল বিশেষ শিল্প। সৌজন্য প্রদর্শন এবং সম্মান জ্ঞাপনের জন্যও রীতিনীতি অনুশীলনের ব্যাপার জড়িত থাকত।</p>
<p>মসৃণ ও কোমল ত্বক: অধিকাংশ রাজকীয় নারীরই ছিল মসৃণ ও কোমল ত্বক এবং তারা শরীরের অনাকাক্সিক্ষত লোম নিয়ে অতিরিক্ত উদ্বিগ্ন থাকতেন না। কারণ রাজকুমারীর জন্মের পরবর্তী নাভির কর্ড কাটার পর গর্ভের ফুলটিকে দিয়ে তুলতুলে শরীরে ঘষা হতো। কাজটি এ বিশ্বাসে করা হতো যে, এতে শরীরে চুলের বৃদ্ধি প্রতিহত হবে। নাভির কর্ড থেকে ছিটকে পড়া রক্তও অনেকে শরীরে লেপে দিত।</p>
<p>আবার অনেকেই মাখত ডিমের সাদা অংশ। মসুরের ডালের সঙ্গে ময়দা মিশিয়ে তাল বানিয়ে তাতে সামান্য হলুদের গুঁড়া মিশিয়ে নিয়মিতভাবে শরীরে মাখা হতো জন্ম পরবর্তী ৬ মাস। প্রলেপ শুকিয়ে গেলে তা ছাড়ানো হতো তেলযুক্ত হাতে। পরে পাঁচ-ছয় বছর বয়স পর্যন্ত শরীরে ঘষা হতো ছাগলের দুধ। এসবই করা হতো, যাতে শরীরে অনাকাক্সিক্ষত লোম না গজায়।</p>
<p>দাদিমার আরোগ্যঝুলি: গৃহচিকিৎসার জন্য দাই মা হতেন অসাধারণ। তার ঝুলি (মহারাষ্ট্রে পরিচিত আজিবাই-চা-বাতুয়া নামে, যার মানে দাদিমার ঝুলি) সমৃদ্ধ থাকত লতা-পাতা, গাছের শিকড় ও মূল, মসলা এবং ফলের শুকনো খোসায়। মসলার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকত জায়ফল, জাফরান, যষ্টিমধু ও শুকনো আদা। হলুদ থাকত বিশেষ যতেœ। ক্ষতস্থান ৪৮ ঘণ্টা হলুদ দিয়ে বেঁধে রাখলে তা পূর্ণ হয়ে যেত, শেলাইয়ের প্রয়োজন হতো না।</p>
<p>ঝুলিতে থাকা প্রতিটি উপকরণেরই আলাদা চিকিৎসাগুণ ছিল এবং দাই মা খুব ভালোভাবেই জানতেন, কোনটির সঙ্গে কোনটি মেশাতে হবে; কতটুকু মেশাতে হবে। এক কাপ দুধের সঙ্গে এক চা চামচ হলুদ মিশিয়ে খাইয়ে দিলে নিমিষে দূর হয়ে যেত ঠাণ্ডা ও কফ। ঝুলিতে থাকা এ সমস্ত উপকরণরই আবার ব্যবহার করতেন মহলের নারীদের সৌন্দর্য রক্ষা ও বর্ধনের কাজে।</p>
<p>খাদ্যের রহস্য: রাজপরিবারগুলো খাবারের ব্যাপারে ছিল খুবই সচেতন। শুধু পুরুষেরই নয়, প্রত্যেক নারীর পছন্দের খাদ্যটি খাবার টেবিলে সংযোজিত হতো। তারা খাবার বাচাই করতেন এর গুণাগুণ বিচার করে। ভারতীয় প্রবাদ রয়েছে, ‘সপ্তায় একদিন তেতো খাবার, মাসে একটি মিষ্টি।’ রন্ধনশালায় রসুনের ব্যবহার ছিল সবচেয়ে বেশি। শুধু রসুনও রান্না করা হতো। নিঃশ্বাসকে জীবাণুমুক্ত রাখতেই এমন ব্যবস্থা। হজম, রাতকানা, ভাঙা হাড় জোড়া লাগানো এবং মনকে তীক্ষè করার ব্যাপারে রসুনের সুফল আছে। দুধ ও দুগ্ধজাতসামগ্রীর ব্যবহারও ছিল প্রচুর। আহারের তালিকায় যুক্ত হতো দুধ, হলুদ ও জাফরান মিশ্রিত দুধ, ঘি এবং মিষ্টান্ন। নতুন মা হওয়া এবং সন্তানসম্ভবা মহারানীরা হলুদ ও জাফরানমিশ্রিত দুধ দিয়ে গোসল করতেন।</p>
<p>পটোলচেরা চোখ: চোখকে পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত রাখতে ব্যবহার করা হতো গোলাপজল। বিশোধন, উপশম ও সুরক্ষার জন্য প্রচলন ছিল কাজলের। চমৎকার পদ্ধতিতে তৈরি কাজল আসত কাশ্মীর থেকে। ১০০ মিলিলিটার গোলাপজল, ৫ গ্রাম রাসানজাল (বিশেষ গাছের নির্যাস, প্রাচীন গ্রিসে এই রাসানজান ব্যবহার করা হতো), ২ চা-চামচ হলুদের গুঁড়া, ২টি বাদাম, ২টি শুকনো লেবু অথবা লেবু পাতার দ্রবণ থেকে প্রস্তুত হতো কাজল। ভারতের রাজকীয় নারীদের জন্য সেই কাজলের ব্যবহার ছিল অতি গর্বের একটি বিষয়।</p>
<p>চুলের যতœ: চুল পড়া প্রতিরোধে যতেœর শেষ ছিল না। নারকেল তেলের সঙ্গে শুকনো ফুলের গুঁড়া মিশিয়ে চুলে মাখা হতো। কাশ্মীরে সরিষার তেলের সঙ্গে ঘোল মিশিয়ে মাথার তালুতে ঘষা হতো। তামিলানাডুতে প্রচলন ছিল কলাগাছের বাকল পুড়িয়ে তার ছাই মাথায় মাখার। হাঁটু পর্যন্ত দীর্ঘ চুলের কদর ছিল বিরাট। প্রবাদ ছিল, চুল হচ্ছে ভক্তি, চুল হচ্ছে প্লেগ। রাজকীয় নারীরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা ব্যয় করতেন চুলের যতেœর পেছনে। এর জন্যে অবশ্য নিজেরা শুধু বসেই থাকতেন এ কাজের জন্যই নিয়োগ দিতেন এক থেকে দুজন পরিচারিকা। তেল দেওয়া, ম্যাসাজ, চুল ধোয়া, শুকনো, বিনুনি, সাজানো&#8230;আরও কত কী ! প্রায় ৪০ প্রকার গাছের ছাল সিদ্ধ করার পর সেই পানি দিয়ে তারা গোসল করতেন। চুল, ত্বক ও শরীরের জন্য এই পানি কাজ করত টনিকের মতো।</p>
<p>মসলিন দিয়ে চুল মুছার পর ছড়িয়ে দেওয়া হতো লম্বা হাতযুক্ত লোহার পাত্রের সামনে। জ্বলন্ত কয়লায় সুগন্ধি ভেষজ পুড়িয়ে বাষ্প ছড়িয়ে দেওয়া হতো চুলে। রাজকুমারীরা ভোর ৬টায় ঘুম থেকে উঠেই প্রথম দফায় চুলের যতœ নিতেন। পূর্জা-অর্চনা শেষ করার পর সাড়ে ১০টার দিকে নিতেন গরম জ্বলের গোসল। লম্বা বিনুনির চলনই ছিল বেশি। চুল সাজানোর কাজে ব্যবহৃত হতো চামেলি কিংবা মগ্রা ফুল।</p>
<p>রাতে ঘুমানোর আগে পা ম্যাসাজের রেওয়াজ ছিল। কাশা কাটোরিতে (পঞ্চধাতুর তৈরি গামলা) ঢাকা হতো স্বচ্ছ ঘি। তারপর সেই পাত্রে পায়ের তলা ঘষত কম বয়সী রাজকুমারীরা। এতে শরীরের উষ্ণতা নির্গত হতো আর পা হতো নরম ও কোমল। শরীরের জ্বর কমিয়ে দেওয়ার ব্যাপারেও এটি বিশেষ কাজে দিত। বিশ্বাস করা হতো যে, দৃষ্টিশক্তি স্বচ্ছ এবং ভাটাকে (শরীরের মূল সেলশক্তি) পুনরুজ্জীবিত করতে পায়ের ম্যাসাজ বিশেষ পারদর্শী।</p>
<p>পেশিগুলো সক্রিয়, শরীর কোমল ও স্লিম এবং ত্বককে নরম ও সুগন্ধিযুক্ত রাখতে সারা অঙ্গে ম্যাসাজ করা হতো। নতুন মায়েদের মেরুদণ্ড শক্তিশালী, পেটকে মসৃণ এবং দেহরেখা পুনর্জšে§র জন্য বিশেষ ম্যাসাজের ব্যবস্থা ছিল। প্রাকৃতিক সম্পদ থেকেই তৈরি হতো এসব ম্যাসাজ অয়েল। মাথা ম্যাসাজ করা হতো চুল পাকা রোধ আর ঘুমের সমস্যা দূর করতে।</p>
<p>গরমের সময় বাদাম, নারকেল, দুধ, হলুদ ও চন্দনের মিশ্রণে লেই তৈরি করে শরীরে মাখা হতো। এতে শরীর ঠাণ্ডা হয়ে যেত নিমিষেই। শীতে সদ্য পেড়ে আনা নারকেল, জাফরান ও হলুদের গুঁড়া সিদ্ধ করে তৈরি হতো বিশেষ তেল, যা ত্বককে আর্দ্র করতে সহযোগিতা করত। কাশ্মীরে সমপরিমাণ ময়দা ও দইয়ের সঙ্গে শুকনো কমলার ছালের গুঁড়া মেশানোর পর পর্যাপ্ত তেল ঢেলে তৈরি হতো বিশেষ লেই। সেই লেই শরীরের মাথার ১৫ মিনিট পর গরম জলে গোসল করতেন রাজকীয় নারীরা।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://shaptahikkagoj.com/?feed=rss2&#038;p=777</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বিয়ের জন্য ওজন বাড়াচ্ছেন জোলি</title>
		<link>http://shaptahikkagoj.com/?p=775</link>
		<comments>http://shaptahikkagoj.com/?p=775#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 13 May 2012 16:12:36 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
				<category><![CDATA[টুকরো ছবি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://shaptahikkagoj.com/?p=775</guid>
		<description><![CDATA[দীর্ঘ সাত বছর একত্রে কাটানোর পর সঙ্গিনী অ্যাঞ্জেলিনা জোলিকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন সঙ্গী ব্রাড পিট। পাঁচ লাখ ডলারের একটি হীরার আংটি দিয়ে পিট জোলিকে বিয়ের প্রস্তাবের কাজটি সারেন। জোলি এ বছরই বিয়েটা সারতে চাইছেন। সেই সঙ্গে আরও চাইছেন বিয়ের অনুষ্ঠানে &#8230; <a href="http://shaptahikkagoj.com/?p=775">Continue reading <span class="meta-nav">&#8594;</span></a>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>দীর্ঘ সাত বছর একত্রে কাটানোর পর সঙ্গিনী অ্যাঞ্জেলিনা জোলিকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন সঙ্গী ব্রাড পিট। পাঁচ লাখ ডলারের একটি হীরার আংটি দিয়ে পিট জোলিকে বিয়ের প্রস্তাবের কাজটি সারেন। জোলি এ বছরই বিয়েটা সারতে চাইছেন। সেই সঙ্গে আরও চাইছেন বিয়ের অনুষ্ঠানে নিজেকে আরও আকর্ষণীয় রাখতে। এ জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, দশ পাউন্ড ওজন বাড়াবেন তিনি। আর এ ওজন বাড়ানোর কাজের দায়িত্ব দিচ্ছেন তাদেরই পারিবারিক বন্ধু ব্রিটিশ শেফ জেমি অলিভারকে। বিয়ের ক্যাটারিংয়ের গুরুদায়িত্ব আবার জেমির হাতেই। কী কী খাবার অল্প সময়েই তার ওজন বাড়িয়ে দেবে, তারই রেসিপি চেয়েছেন জোলি জেমির কাছ থেকে। জোলিকে সাহায্য করার জন্য এরই মধ্যে বেশ কয়েকবার তার বাসায় গিয়েছেন জেমি। হালকা-পাতলা জোলিকে ‘মিস্টার অ্যান্ড মিসেস স্মিথ’ ছবিটির মতো আবেদনময়ী হিসেবে দেখার জন্য মুখিয়ে আছেন পিট।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://shaptahikkagoj.com/?feed=rss2&#038;p=775</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>মোবাইল ফোন যখন পিস্তল</title>
		<link>http://shaptahikkagoj.com/?p=772</link>
		<comments>http://shaptahikkagoj.com/?p=772#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 13 May 2012 16:12:08 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
				<category><![CDATA[টুকরো ছবি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://shaptahikkagoj.com/?p=772</guid>
		<description><![CDATA[সামনাসামনি দেখলে মনে হবে, যেন একটা নিরীহ মোবাইল ফোন। কিন্তু এর ভেতরে লুকিয়ে আছে পয়েন্ট টুটু বোরের  আস্ত একটা পিস্তল। অতি সম্প্র্রতি এমনই এক পিস্তলের আবির্ভাব ঘটেছে সন্ত্রাস জগতে। ঘটনাটি প্রথম চোখে পড়ে ইতালি পুলিশের। ইতালির একটি মাফিয়া পরিবারে রেইড &#8230; <a href="http://shaptahikkagoj.com/?p=772">Continue reading <span class="meta-nav">&#8594;</span></a>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><a href="http://shaptahikkagoj.com/wp-content/uploads/2012/05/ashiquehasan007blog1247.jpg"><img class="alignleft  wp-image-773" title="ashiquehasan007blog1247" src="http://shaptahikkagoj.com/wp-content/uploads/2012/05/ashiquehasan007blog1247.jpg" alt="" width="264" height="360" /></a>সামনাসামনি দেখলে মনে হবে, যেন একটা নিরীহ মোবাইল ফোন। কিন্তু এর ভেতরে লুকিয়ে আছে পয়েন্ট টুটু বোরের  আস্ত একটা পিস্তল। অতি সম্প্র্রতি এমনই এক পিস্তলের আবির্ভাব ঘটেছে সন্ত্রাস জগতে। ঘটনাটি প্রথম চোখে পড়ে ইতালি পুলিশের। ইতালির একটি মাফিয়া পরিবারে রেইড করার সময় অস্ত্রটি তাদের হাতে আসে। অস্ত্রটি মূলত ইতালি নেপলসের এক ব্যক্তি প্রথম ডিজাইন বা তৈরি করেন। অস্ত্রটিকে সুকৌশলে একটি মোবাইল ফোনের ভেতরে সেট করা হয়েছে। মোবাইল ফোনটিকে মাঝ বরাবর স্লাইডিং করে খোলা যায় এবং একসঙ্গে ৪টি বুলেট লোড করা যায়। ট্রিগার হিসেবে কাজ করে এর চারটি বাটন। ব্যারেল হিসেবে কাজ করে মোবাইল ফোনটির অ্যান্টেনাটি। খালি চোখে যেন এটিকে মোবাইল ফোনই মনে হয়। তাই এর গায়ে লাগানো হয়েছে একটি নকল ডিসপ্লে। এ ধরনের অস্ত্র মোবাইলের ভেতর লুকানো থাকে বলে বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন এয়ারপোর্ট এবং নিরাপত্তা স্থাপনাগুলোতে মোবাইল ফোন স্ক্যানারের মাধ্যমে পরীক্ষা করে ঢোকানো হচ্ছে। সাধারণ মোবাইল ফোন থেকে এই মোবাইল ফোনটি ওজনে কিছুটা ভারী হয়। সাধারণত নিরাপত্তাকর্মীদের এই ওজন বিষয়টিই প্রাথমিকভাবে অস্ত্রটি চিহ্নিত করতে সাহায্য করে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://shaptahikkagoj.com/?feed=rss2&#038;p=772</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>হিন্দি ছবির নায়ক ক্রিস গেইল!</title>
		<link>http://shaptahikkagoj.com/?p=770</link>
		<comments>http://shaptahikkagoj.com/?p=770#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 13 May 2012 16:11:12 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
				<category><![CDATA[টুকরো ছবি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://shaptahikkagoj.com/?p=770</guid>
		<description><![CDATA[ক্রিকেট মাঠ কাঁপানো ক্যারাবিয়ান ব্যাটিং সাইক্লোন ক্রিস গেইলের এবার সাধ জেগেছে বলিউড কাঁপানোর! অবশ্য এটা তার দোষ নয়, কারণ, সঙ্গ দোষে নাকি লোহাও ভাসে! আইপিএলের সুবাদে বলিউডের নামিদামি তারকাদের সান্নিধ্য পেয়েই হয়তো তার এই খায়েশ জেগেছে। এখনো পুরোপুরি একটা হিন্দি &#8230; <a href="http://shaptahikkagoj.com/?p=770">Continue reading <span class="meta-nav">&#8594;</span></a>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>ক্রিকেট মাঠ কাঁপানো ক্যারাবিয়ান ব্যাটিং সাইক্লোন ক্রিস গেইলের এবার সাধ জেগেছে বলিউড কাঁপানোর! অবশ্য এটা তার দোষ নয়, কারণ, সঙ্গ দোষে নাকি লোহাও ভাসে! আইপিএলের সুবাদে বলিউডের নামিদামি তারকাদের সান্নিধ্য পেয়েই হয়তো তার এই খায়েশ জেগেছে। এখনো পুরোপুরি একটা হিন্দি ছবি দেখেননি, তবে মুগ্ধ হয়ে দেখেছেন ও শুনেছেন ছবির গান। আবার আইপিএলের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাকে দেখা গেছে কোমর দুলিয়ে নাচতে। টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ক্যারাবিয়ান এই ব্যাটিং সাইক্লোন জানিয়েছেন, এখন তার অন্যতম ইচ্ছে বলিউডে ক্যারিয়ার গড়া। ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে ঝামেলা অনেকটাই মিটিয়ে ফেলেছেন। ইচ্ছে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব দেশে ফিরে জাতীয় দলের হয়ে খেলা। কিন্তু কোনো কারণে যদি ঝামেলা হয়, তবে চেষ্টা করবেন আবার ভারতে আসার। তবে এবার মাঠে নয়, ফিল্মি পর্দায় সাইক্লোন ওঠাতে। হিন্দি ছবিতে কাজ করার জন্য একটা লম্বা ছুটির অপেক্ষায় নাকি আছেন ক্রিস গেইল। বলেন, ‘আমি বলিউডের ব্যাপারে সত্যিই সিরিয়াস। শাহরুখের সঙ্গে এ নিয়ে বেশ মজাও হয়েছে। আশা করি শাহরুখ নিশ্চয়ই একটা ব্যবস্থা করে দেবেন।’ শুধু কিং খান নয়, বলিউডের জন্য প্রীতি জিনতা ও শিল্পা শেঠিরও সহায়তা চেয়েছেন তিনি। আর তার স্বপ্ন, বলিউডে অভিষিক্ত হয়ে আরেক খান-সালমানের জায়গাটা দখল করা!!!</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://shaptahikkagoj.com/?feed=rss2&#038;p=770</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>শচীন এখন রাজনীতিবিদ</title>
		<link>http://shaptahikkagoj.com/?p=768</link>
		<comments>http://shaptahikkagoj.com/?p=768#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 13 May 2012 16:10:24 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
				<category><![CDATA[টুকরো ছবি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://shaptahikkagoj.com/?p=768</guid>
		<description><![CDATA[লতা মুঙ্গেশকর বড়, নাকি শচীন টেন্ডুলকার, ভারতে জোর বিতর্ক। লতা মুঙ্গেশকর তো আর শচীন টেন্ডুলকারের মতো ক্রিকেট খেলতে পারবেন না কিংবা শচীন টেন্ডুলকার লতা মুঙ্গেশকরের মতো গান গাইতে পারবেন না! তা যতই বিতর্ক থাক, দুজনের মাঝে কিন্তু একটা মিল আছে, &#8230; <a href="http://shaptahikkagoj.com/?p=768">Continue reading <span class="meta-nav">&#8594;</span></a>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>লতা মুঙ্গেশকর বড়, নাকি শচীন টেন্ডুলকার, ভারতে জোর বিতর্ক। লতা মুঙ্গেশকর তো আর শচীন টেন্ডুলকারের মতো ক্রিকেট খেলতে পারবেন না কিংবা শচীন টেন্ডুলকার লতা মুঙ্গেশকরের মতো গান গাইতে পারবেন না! তা যতই বিতর্ক থাক, দুজনের মাঝে কিন্তু একটা মিল আছে, দুজনেই ভারতের সংসদের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভার সদস্য। সম্প্রতি ভারতের ব্যাটিং জিনিয়াস শচীন টেন্ডুলকার রাজ্যসভার মনোনয়ন পেয়েছেন। ভারতের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের জন্য সেখানে ১২টি আসন বরাদ্দ আছে। শচীন টেন্ডুলকার, লতা মুঙ্গেশকর ছাড়াও এর আগে সেতারবাদক রবিশঙ্কর ও প্রয়াত চিত্রশিল্পী মকবুল ফিদা হুসেন রাজ্যসভার মনোনয়ন পেয়েছিলেন। গত ১ মে ভারতের পুনেতে এক সংবাদ সম্মেলনে শচীন বলেন, তিনি উচ্ছ্বসিত। নিজের ভালো কাজের জন্য মনোনয়ন সত্যি সৌভাগ্যের। তবে কি তিনি ক্রিকেট ছেড়ে সরাসরি রাজনীতিতে জড়িয়ে যাবেন? এ প্রশ্নের জবাবে শচীন বলেন, আমার তা মনে হয় না, আমি ক্রিকেট ছেড়ে সরাসরি রাজনীতিতে জড়িয়ে যাব। ক্রিকেট আমার জীবন এবং সব সময় তা থাকবে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://shaptahikkagoj.com/?feed=rss2&#038;p=768</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>প্লেবয় পত্রিকার প্রচ্ছদে ভিনা মালিক</title>
		<link>http://shaptahikkagoj.com/?p=766</link>
		<comments>http://shaptahikkagoj.com/?p=766#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 13 May 2012 16:09:58 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
				<category><![CDATA[টুকরো ছবি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://shaptahikkagoj.com/?p=766</guid>
		<description><![CDATA[ভিনা মালিক ফের নগ্ন হবেন। আলোচিত ওই মডেলকে এবার নগ্ন করার জন্য গুনতে হচ্ছে এক মিলিয়ন ডলার! পত্রিকাটির কাছে অবশ্য এই টাকার অঙ্কটা মুখ্য নয়। সে জন্য এক মিলিয়ন ডলার গুনতে রাজি হয়েছে প্লেবয় ম্যাগাজিন। ভিনা মালিক নগ্ন হওয়ার কথা &#8230; <a href="http://shaptahikkagoj.com/?p=766">Continue reading <span class="meta-nav">&#8594;</span></a>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>ভিনা মালিক ফের নগ্ন হবেন। আলোচিত ওই মডেলকে এবার নগ্ন করার জন্য গুনতে হচ্ছে এক মিলিয়ন ডলার! পত্রিকাটির কাছে অবশ্য এই টাকার অঙ্কটা মুখ্য নয়। সে জন্য এক মিলিয়ন ডলার গুনতে রাজি হয়েছে প্লেবয় ম্যাগাজিন। ভিনা মালিক নগ্ন হওয়ার কথা স্বীকার করে বলেছেন, তিনি প্লেবয় পত্রিকার জন্য এক মিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে আবার নগ্ন হবেন। এর আগে তিনি এফ এইচ এম পত্রিকার প্রচ্ছদে নগ্ন হয়েছিলেন। ইউকেস মিরর পত্রিকায় তিনি বলেন, ‘আমি চিন্তা করেছি, কেন আমি না বলব? এটা বিশাল সুযোগ এবং অবশ্যই আমি করতে চাই।’ তিনি দম্ভ ভরে বলেন, বিতর্কের তিনি জš§দাত্রী এবং নগ্ন হওয়ার মাধ্যমে কিছু শত্র“ তৈরি করেছেন। অনেক পাকিস্তানি তার পাকিস্তানের নাগরিকত্ব বাতিলের দাবি তুলেছে এবং সবচেয়ে ভয়ের কথা হলো, ২০০৮ সালে ভারতের মুম্বাই হামলার জন্য দায়ী পাকিস্তানি জঙ্গি গ্র“প লস্কর-ই-তাইয়েবা বলেছে, তারা ভিনা মালিকের ওপর খুশি নয়। তাদের মতে, সে সব মুসলিম মহিলার সঙ্গে ঠাট্টা করছে এবং দেশকে পুরোপুরি লজ্জায় ফেলে দিয়েছে। তারা হুঁশিয়ার করে বলেছে, দেশে ফেরার পর তাকে মোকাবিলা করা হবে। মৃত্যুর হুমকি, নাগরিকত্ব বাতিলের ভয়Ñএত কিছুর পরও ভিনা মালিকের ভক্তদের আশা, তিনি প্লেবয় পত্রিকার জন্য নগ্ন হবেন।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://shaptahikkagoj.com/?feed=rss2&#038;p=766</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>লাক্স-চ্যানেল আই রবীন্দ্র মেলা : সাদি মহম্মদ পেলেন আজীবন সম্মাননা</title>
		<link>http://shaptahikkagoj.com/?p=762</link>
		<comments>http://shaptahikkagoj.com/?p=762#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 13 May 2012 16:09:08 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
				<category><![CDATA[আয়োজন]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://shaptahikkagoj.com/?p=762</guid>
		<description><![CDATA[২৫ বৈশাখ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছিল ১৫১তম জš§বার্ষিকী। এ উপলক্ষে লাক্স-চ্যানেল আই আয়োজন করে রবীন্দ্র জš§জয়ন্তী মেলার। এ বছর মেলায় আজীবন সম্মাননা দেওয়া হয়েছে বিশিষ্ট রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী সাদি মহম্মদকে। এদিন চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত মেলায় সাদি মহম্মদদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট, উত্তরীয় &#8230; <a href="http://shaptahikkagoj.com/?p=762">Continue reading <span class="meta-nav">&#8594;</span></a>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><a href="http://shaptahikkagoj.com/wp-content/uploads/2012/05/Lux-Channel-i-RABINDRA-JONMOJOINTI-MELA12-Udjapon-Image-1.jpg"><img class="alignleft  wp-image-763" title="Lux-Channel i RABINDRA JONMOJOINTI MELA'12 Udjapon Image (1)" src="http://shaptahikkagoj.com/wp-content/uploads/2012/05/Lux-Channel-i-RABINDRA-JONMOJOINTI-MELA12-Udjapon-Image-1.jpg" alt="" width="324" height="190" /></a>২৫ বৈশাখ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছিল ১৫১তম জš§বার্ষিকী। এ উপলক্ষে লাক্স-চ্যানেল আই আয়োজন করে রবীন্দ্র জš§জয়ন্তী মেলার। এ বছর মেলায় আজীবন সম্মাননা দেওয়া হয়েছে বিশিষ্ট রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী সাদি মহম্মদকে। এদিন চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত মেলায় সাদি মহম্মদদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট, উত্তরীয় ও নগদ এক লাখ টাকার চেক তুলে দেন সুধীন দাশ, চ্যানেল আইয়ের পরিচালক ও বার্তাপ্রধান শাইখ সিরাজ, পরিচালক জহির উদ্দিন মাহমুদ মামুন ও মুকিত মজুমদার বাবু এবং রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী তপন মাহমুদ। এ সময় সাদি মহম্মদ বলেন, ‘আমি চ্যানেল আইয়ের জš§লগ্ন থেকেই জড়িয়ে আছি। আমাকে মনে রাখার জন্য চ্যানেল আইকে ধন্যবাদ। আজকের প্রাপ্তি আমার জীবনে এক অন্য রকম স্মৃতি। আমার গানকে ভালোবেসে যারা আমাকে এ পর্যন্ত আসার অনুপ্রেরণা দিয়েছেন, আমি সকলের কাছে কৃতজ্ঞ।’ মেলার উদ্বোধন হয় বেলা ১১.১০ মিনিটে। এ সময় বেলুন উড়িয়ে মেলার উদ্বোধন করেন সুধীন দাশ, সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক, ভাষাসংগ্রামী আহমেদ রফিক, প্রাবন্ধিক আবুল মকসুদ, সাংবাদিক গোলাম সারওয়ার ও রেজানুর রহমান, নাট্যব্যক্তিত্ব আতাউর রহমান, চিত্রশিল্পী হাশেম খান, সাবেক সচিব ইনামুল হক, সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে. চৌধূরী, শিল্পী লায়লা হাসান, চলচ্চিত্র প্রযোজক হাবিবুর রহমান খান ও চিত্রপরিচালক মোরশেদুল ইসলাম, ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড, চ্যানেল আইয়ের পরিচালক ও বার্তাপ্রধান শাইখ সিরাজ, পরিচালক জহির উদ্দিন মাহমুদ মামুন, মুকিত মজুমদার বাবুসহ প্রায় অর্ধশত বিভিন্ন অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। মেলায় বিভিন্ন সময়ে আসেন এবং রবীন্দ্র স্মৃতিচারণা করেন সাবেক রাষ্ট্রদূত এম শফিউল্লাহ, অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, শিল্পী রেবেকা সুলতানা, সাংবাদিক শ্যামল দত্ত, চিত্রপরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম, কাজী হায়াৎ, মোহাম্মদ হান্নান, শাহ আলম কিরণ, সাদেক সিদ্দিকী প্রমুখ। মেলায় রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করেন মহাদেব ঘোষ, তপন মাহমুদ, লিলি ইসলাম প্রমুখ। এ ছাড়া বিভিন্ন সময়ে দলীয় সংগীত, আবৃত্তি ও নৃত্য পরিবেশন করেন অনুষ্ঠানে আগত শিল্পীরা।</p>
<p><a href="http://shaptahikkagoj.com/wp-content/uploads/2012/05/Lux-Channel-i-RABINDRA-JONMOJOINTI-MELA12-Udjapon-Image-6.jpg"><img class="alignleft  wp-image-764" title="Lux-Channel i RABINDRA JONMOJOINTI MELA'12 Udjapon Image (6)" src="http://shaptahikkagoj.com/wp-content/uploads/2012/05/Lux-Channel-i-RABINDRA-JONMOJOINTI-MELA12-Udjapon-Image-6.jpg" alt="" width="324" height="191" /></a>মেলা চলাকালে রবীন্দ্রবিষয়ক ছবি এঁকেছেন দেশের প্রথিতযশা চিত্রশিল্পী হাশেম খান, বীরেন সোম, মনিরুজ্জামান, সৈয়দ জাহিদ ইকবাল, আবদুল মান্নান, জহিরউদ্দিন, রণজিত দাস, শামসুদ্দোহা, শেখ আফজাল, আলমগীর তুষার এবং ফারজানা আহমেদ উর্মি। মেলার স্টলগুলোতে ছিল রবীন্দ্রনাথের স্মৃতিবিজড়িত বিভিন্ন পণ্যসামগ্রী।</p>
<p>এ ছাড়া মেলায় আগত অতিথিদের সম্মানে আপ্যায়ন করা হয় কেকা ফেরদৌসীর রান্নাঘর থেকে কবিগুরুর প্রিয় খাবার এবং পানসুপারির পান দিয়ে। চ্যানেল আই বেলা ২টা পর্যন্ত মেলাটি সরাসরি সম্প্রচার করে। মেলাটি পরিচালনা করেছেন আমীরুল ইসলাম ও শহিদুল আলম সাচ্চু।</p>
<p>��বর্তমান পরিস্থিতিতে সর্বসম্মত প্রার্থী নিয়ে কংগ্রেসের পাশে রয়েছে বামরা। তাদের রয়েছে ৫ শতাংশ ভোট। আবার সর্বসম্মত প্রার্থী হলে জেডিইউর মতো এনডিএর কিছু শরিক দলের সমর্থন চলে আসতে পারে ইউপিএর পক্ষে। সেক্ষেত্রে তৃণমূলের সমর্থন না পেলেও অসুবিধায় পড়বে না ইউপিএ। ফলে সর্বসম্মত প্রার্থীর কথা কংগ্রেস সামনে এনে যেমন বামদের পাশে পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে, তেমনই এনডিএ শিবিরে মতপার্থক্যের সুবিধাও নিতে পারে। এই সমীকরণেই আর ততটা তৃণমূলের মুখাপেক্ষী নয় কংগ্রেস। এত দিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সমর্থনের বিনিময়ে বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে কেন্দ্রের সঙ্গে দর-কষাকষি করেছে তৃণমূল। এখন পাল্টে যাওয়া পরিস্থিতিতে ইউপিএর দ্বিতীয় বৃহত্তম শরিকের ওপর পাল্টা চাপ তৈরি করতেই কি সর্বসম্মত প্রার্থীর কথা তুললেন কংগ্রেস নেতৃত্ব? দিল্লির রাজনৈতিক মহলে আপাতত এই প্রশ্নই ঘোরাফেরা করছে।</p>
<p>&nbsp;</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://shaptahikkagoj.com/?feed=rss2&#038;p=762</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>গ্রিস : সরকার গঠনে ব্যর্থ বিজয়ী দল</title>
		<link>http://shaptahikkagoj.com/?p=760</link>
		<comments>http://shaptahikkagoj.com/?p=760#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 13 May 2012 16:06:31 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
				<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://shaptahikkagoj.com/?p=760</guid>
		<description><![CDATA[গ্রিসে রোববারের নির্বাচনে মধ্যডানপন্থি দল নিউ ডেমোক্র্যাসি সংখ্যা গরিষ্ঠতা পেলেও অর্থনীতিতে কৃচ্ছতার নীতি বিতর্কে জোট সরকার গঠণে ব্যর্থ হয়েছে। অর্থনীতির সঙ্কট উত্তরণে কৃচ্ছতা নয় বরং ইউরোর ভবিষ্যৎ নিয়ে তারা বেশি চিন্তিত-নির্বাচনের আগে দলটি ভোটারদের এমনটি বোঝানোর চেষ্টা করলেও আস্থা অর্জনে &#8230; <a href="http://shaptahikkagoj.com/?p=760">Continue reading <span class="meta-nav">&#8594;</span></a>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>গ্রিসে রোববারের নির্বাচনে মধ্যডানপন্থি দল নিউ ডেমোক্র্যাসি সংখ্যা গরিষ্ঠতা পেলেও অর্থনীতিতে কৃচ্ছতার নীতি বিতর্কে জোট সরকার গঠণে ব্যর্থ হয়েছে। অর্থনীতির সঙ্কট উত্তরণে কৃচ্ছতা নয় বরং ইউরোর ভবিষ্যৎ নিয়ে তারা বেশি চিন্তিত-নির্বাচনের আগে দলটি ভোটারদের এমনটি বোঝানোর চেষ্টা করলেও আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে, ফলে এককভাবে সরকার গঠনের মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি তারা।</p>
<p>বিজয়ী দলের প্রধান আনটোনিস সামারাস সোমবার সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘জাতীয় মুক্তির’ প্রশাসন গঠনের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। জোট গঠন একেবারে ‘অসম্ভব’ বলেও মনে করছেন তিনি।এখন এ সুযোগে কট্টর বামপন্থি দল সিরিজা অর্থনীতিতে ব্যয় সঙ্কোচন বা কৃচ্ছতা নীতির বিরোধীদের নিয়ে জোট গঠনে সচেষ্ট হতে পারে। দলের নেতাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠকের পর সোমবার টেলিভিশন বার্তায় সামারাস বলেন, ‘আমি একটা অন্তত ফলাফল বের করার চেষ্ট করেছিলাম কিন্তু তা অসম্ভব।’এদিকে জাতীয়তাবাদী দল ইন্ডিপেন্ডেন্ট গ্রিকস এবং কমিউনিস্ট পার্টি তার সঙ্গে বৈঠকে বসতেও রাজি হয়নি। নির্বাচনে তৃতীয়স্থানে থাকা পাসোক পার্টি যা সাবেক জোট সরকারে নিউ ডেমোক্র্যাসির সঙ্গে ছিল তারা বলছে, তারা সামারাসকে সহযোগিতা করতে রাজি আছে যদি অন্য বামপন্থি দলগুলোও তার সঙ্গে যোগ দেয়। অর্থনৈতিক সঙ্কটে নিপতিত ইউরোজোনের দেশ গ্রিসে জনগণ এবার কৃচ্ছতা নীতির বিরোধী রাজনৈতিক দল এবং প্রার্থীদের পক্ষেই তাদের সমর্থন দিয়েছেন। একই অবস্থা সম্প্রতি ফ্রান্স নির্বাচন ও ইতালিতেও দেখা গেছে।গ্রিসে রোববার অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, সাবেক জোট সরকারের দুই অংশীদার মধ্যডানপন্থি নিউ ডেমোক্র্যাসি এবং বামপন্থি পাসোক পার্টির সমর্থন কট্টর ডান এবং বাম দলগুলোর দিকেই গেছে। ফ্রান্সের নব নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া হলাঁদে বলেছেন, তিনি অর্থনীতি সুরক্ষায় কৃচ্ছতার বিকল্প নীতি খুঁজবেন। ইতালির স্থানীয় নির্বাচনের আংশিক ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, মূলধারার রাজনৈতিক দলগুলো সমর্থন হারিয়েছে। এরমধ্যে কমেডিয়ান বেপ্পে গ্রিলোর নেতৃত্বে ইউরো বিরোধী আন্দোলন একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা বলে বিবেচিত হচ্ছে।</p>
<p>া��-��P���্ছিল তৃণমূল। কিন্তু ছবিটা বদলে যায় মমতার সঙ্গে কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর বৈঠকের দিন দুয়েক পরেই। কারণ তখন থেকে দিল্লির রাজনৈতিক মহলে সর্বসম্মত প্রার্থী নিয়ে কানাঘুষো ছড়িয়ে পড়ে। কয়েক দিন ধরে এ পি জে আবদুল কালাম, হামিদ আনসারি এবং প্রণব মুখার্জির নাম রাষ্ট্রপতি পদের প্রার্থী হিসেবে ঘোরাফেরা করলেও কংগ্রেস কোনো প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>গত ৪ মে, শুক্রবার সকালে প্রথম কংগ্রেসের পক্ষ থেকে সর্বসম্মত প্রার্থীর কথা ভাসিয়ে দেওয়া হয়। কংগ্রেসের এই চালেই পাল্টে যায় এই কয়েক দিনের রাজনৈতিক সমীকরণ। বৃহস্পতিবারই দিল্লিতে মুলায়ম সিংয়ের সঙ্গে দেখা করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু শুক্রবার মুলায়মের সঙ্গে দেখা করে একপ্রস্ত বৈঠক করেন সিপিআইএমের সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কারাট। সিপিআইএমের পলিটব্যুরো সদস্য সীতারাম ইয়েচুরি দেখা করেন এনসিপি প্রধান শারদ পাওয়ারের সঙ্গে। বামেরা প্রথম থেকেই সর্বসম্মত প্রার্থীর কথা বলছিলেন। শুক্রবার কংগ্রেসও সেই কথা বলায়, রাতারাতি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে ৪ বাম দলের হাতে থাকা ৫ শতাংশ ভোট। তথ্য ও পরিসংখ্যান বলছে, ইউপিএর হাতে রয়েছে ৪১ শতাংশ ভোট। তার মধ্যে তৃণমূলের ভোট ৪ শতাংশ। এসপি, আরজেডি, বিএসপির মতো বাইরে থেকে সমর্থন করা দলগুলোকে নিয়ে ইউপিএর হাতে রয়েছে ৫২ শতাংশ ভোট। তৃণমূলের সমর্থন না পেলে তা কমে দাঁড়ােেত পারে ৪৮ শতাংশে।</p>
<p>কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সর্বসম্মত প্রার্থী নিয়ে কংগ্রেসের পাশে রয়েছে বামরা। তাদের রয়েছে ৫ শতাংশ ভোট। আবার সর্বসম্মত প্রার্থী হলে জেডিইউর মতো এনডিএর কিছু শরিক দলের সমর্থন চলে আসতে পারে ইউপিএর পক্ষে। সেক্ষেত্রে তৃণমূলের সমর্থন না পেলেও অসুবিধায় পড়বে না ইউপিএ। ফলে সর্বসম্মত প্রার্থীর কথা কংগ্রেস সামনে এনে যেমন বামদের পাশে পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে, তেমনই এনডিএ শিবিরে মতপার্থক্যের সুবিধাও নিতে পারে। এই সমীকরণেই আর ততটা তৃণমূলের মুখাপেক্ষী নয় কংগ্রেস। এত দিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সমর্থনের বিনিময়ে বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে কেন্দ্রের সঙ্গে দর-কষাকষি করেছে তৃণমূল। এখন পাল্টে যাওয়া পরিস্থিতিতে ইউপিএর দ্বিতীয় বৃহত্তম শরিকের ওপর পাল্টা চাপ তৈরি করতেই কি সর্বসম্মত প্রার্থীর কথা তুললেন কংগ্রেস নেতৃত্ব? দিল্লির রাজনৈতিক মহলে আপাতত এই প্রশ্নই ঘোরাফেরা করছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://shaptahikkagoj.com/?feed=rss2&#038;p=760</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এগিয়ে আবদুল কালাম পিছিয়ে মমতা</title>
		<link>http://shaptahikkagoj.com/?p=758</link>
		<comments>http://shaptahikkagoj.com/?p=758#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 13 May 2012 16:06:09 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
				<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://shaptahikkagoj.com/?p=758</guid>
		<description><![CDATA[রেজাউল করিম  : ভারতের বর্তমান রাষ্ট্রপতি প্রতিভা পাতিলের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ২৪ জুলাই। দ্বিতীয়বার তার রাষ্ট্রপতি হওয়ার সম্ভাবনা বলতে গেলে নেই-ই। এর মধ্যে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন, তা নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। এখন পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে যাদের &#8230; <a href="http://shaptahikkagoj.com/?p=758">Continue reading <span class="meta-nav">&#8594;</span></a>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>রেজাউল করিম  :</p>
<p>ভারতের বর্তমান রাষ্ট্রপতি প্রতিভা পাতিলের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ২৪ জুলাই। দ্বিতীয়বার তার রাষ্ট্রপতি হওয়ার সম্ভাবনা বলতে গেলে নেই-ই। এর মধ্যে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন, তা নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। এখন পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে যাদের নাম এসেছে, তারা হলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি এ পি জে আবদুল কালাম, বর্তমান উপরাষ্ট্রপতি হামিদ আনসারি, অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখার্জি। তবে এদের মধ্যে আবদুল কালাম সবচেয়ে এগিয়ে আছেন।</p>
<p>এদিকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভারতীয় রাজনীতিতে জোটের সমীকরণ নতুন করে সামনে চলে এসেছে। দর-কষাকষিও চলছে। দিন কয়েক আগে এ নিয়ে দিল্লিতে আঞ্চলিক দলগুলোর বৈঠকও হয়ে গেছে। তবে সে বৈঠকে কোনো সমাধান মেলেনি।</p>
<p>রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে প্রথম দিকে দর-কষাকষিতে এগিয়ে ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তার দল তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু পরে কংগ্রেসের কৌশলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দর-কষাকষির রাজনীতিতে কিছুটা ব্যাকফুটে চলে যায় তৃণমূল কংগ্রেস। এখনো পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কোনো প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি কংগ্রেস। তবে দিন কয়েক আগে থেকে সুকৌশলে সর্বসম্মত প্রার্থীর কথা রাজনৈতিক মহলে ছড়িয়ে দেন কংগ্রেস নেতৃত্বের একাংশ। আর তার ফলে যাবতীয় রাজনৈতিক সমীকরণের মোড় ঘুরে যায়। এ পর্যায়ে হঠাৎ করেই প্রাসঙ্গিক হয়ে পড়ে ৪ বাম দলের ভূমিকা। দর-কষাকষির রাজনীতিতে কিছুটা পিছিয়ে পড়ে তৃণমূল কংগ্রেস।</p>
<p>রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মনোনীত প্রার্থীকে জিতিয়ে আনার মতো সংখ্যা একা কংগ্রেসের নেই। তাই কংগ্রেসকে নির্ভর করতে হচ্ছে শরিকদের ওপর। আর এই শরিকি সমীকরণেই মোট ভোটের ৪ শতাংশ নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হয়ে ওঠেন রাষ্ট্রপতি ভোটের অন্যতম নিয়ন্ত্রক। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে হাতিয়ার করে দাবি আদায়ের জন্য কংগ্রেসের ওপর চাপ বাড়াচ্ছিল তৃণমূল। কিন্তু ছবিটা বদলে যায় মমতার সঙ্গে কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর বৈঠকের দিন দুয়েক পরেই। কারণ তখন থেকে দিল্লির রাজনৈতিক মহলে সর্বসম্মত প্রার্থী নিয়ে কানাঘুষো ছড়িয়ে পড়ে। কয়েক দিন ধরে এ পি জে আবদুল কালাম, হামিদ আনসারি এবং প্রণব মুখার্জির নাম রাষ্ট্রপতি পদের প্রার্থী হিসেবে ঘোরাফেরা করলেও কংগ্রেস কোনো প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি।</p>
<p>গত ৪ মে, শুক্রবার সকালে প্রথম কংগ্রেসের পক্ষ থেকে সর্বসম্মত প্রার্থীর কথা ভাসিয়ে দেওয়া হয়। কংগ্রেসের এই চালেই পাল্টে যায় এই কয়েক দিনের রাজনৈতিক সমীকরণ। বৃহস্পতিবারই দিল্লিতে মুলায়ম সিংয়ের সঙ্গে দেখা করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু শুক্রবার মুলায়মের সঙ্গে দেখা করে একপ্রস্ত বৈঠক করেন সিপিআইএমের সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কারাট। সিপিআইএমের পলিটব্যুরো সদস্য সীতারাম ইয়েচুরি দেখা করেন এনসিপি প্রধান শারদ পাওয়ারের সঙ্গে। বামেরা প্রথম থেকেই সর্বসম্মত প্রার্থীর কথা বলছিলেন। শুক্রবার কংগ্রেসও সেই কথা বলায়, রাতারাতি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে ৪ বাম দলের হাতে থাকা ৫ শতাংশ ভোট। তথ্য ও পরিসংখ্যান বলছে, ইউপিএর হাতে রয়েছে ৪১ শতাংশ ভোট। তার মধ্যে তৃণমূলের ভোট ৪ শতাংশ। এসপি, আরজেডি, বিএসপির মতো বাইরে থেকে সমর্থন করা দলগুলোকে নিয়ে ইউপিএর হাতে রয়েছে ৫২ শতাংশ ভোট। তৃণমূলের সমর্থন না পেলে তা কমে দাঁড়ােেত পারে ৪৮ শতাংশে।</p>
<p>কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সর্বসম্মত প্রার্থী নিয়ে কংগ্রেসের পাশে রয়েছে বামরা। তাদের রয়েছে ৫ শতাংশ ভোট। আবার সর্বসম্মত প্রার্থী হলে জেডিইউর মতো এনডিএর কিছু শরিক দলের সমর্থন চলে আসতে পারে ইউপিএর পক্ষে। সেক্ষেত্রে তৃণমূলের সমর্থন না পেলেও অসুবিধায় পড়বে না ইউপিএ। ফলে সর্বসম্মত প্রার্থীর কথা কংগ্রেস সামনে এনে যেমন বামদের পাশে পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে, তেমনই এনডিএ শিবিরে মতপার্থক্যের সুবিধাও নিতে পারে। এই সমীকরণেই আর ততটা তৃণমূলের মুখাপেক্ষী নয় কংগ্রেস। এত দিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সমর্থনের বিনিময়ে বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে কেন্দ্রের সঙ্গে দর-কষাকষি করেছে তৃণমূল। এখন পাল্টে যাওয়া পরিস্থিতিতে ইউপিএর দ্বিতীয় বৃহত্তম শরিকের ওপর পাল্টা চাপ তৈরি করতেই কি সর্বসম্মত প্রার্থীর কথা তুললেন কংগ্রেস নেতৃত্ব? দিল্লির রাজনৈতিক মহলে আপাতত এই প্রশ্নই ঘোরাফেরা করছে।</p>
<p>g,�&#8217;���(��</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>এ ব্যাপারে যশোর হোমিও কলেজের অধ্যক্ষ বাশার জানান, তিনিও এজেন্টদের মাধ্যমে প্রভাবিত হয়ে ছয় লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন। এ ছাড়া তার বন্ধুবান্ধবও এখানে বিনিয়োগ করেছেন। কিন্তু মুনাফাসহ বিনিয়োগ ফেরতের সময় থেকেই কোম্পানির এজেন্টরা গা ঢাকা দিয়েছে। তিনি শুনেছেন, কোম্পানির ম্যানেজিং ডিরেক্টর পিন্টু বিশ্বাস প্রতারণার অভিযোগে আটক হয়েছেন। আর চেয়ারম্যান ইমতিয়াজ কাসেম রনি পলাতক। কিন্তু এখন তারা কোনো টাকা ফেরত পাচ্ছেন না।</p>
<p>এ ব্যাপারে রেভনেক্সের এজেন্ট নোয়াখালীর আব্দুল্লাহ মাসুদ জানান, তিনিও কোম্পানির একজন এজেন্ট মাত্র। এ ছাড়া তিনিও বিনিয়োগ করেছেন। এর বাইরে তিনি আর কিছু বলতে রাজি হননি।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://shaptahikkagoj.com/?feed=rss2&#038;p=758</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>

